Text size A A A
Color C C C C
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। পৃথিবীতেযখন বিস্ময়করভাবে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারের ঝড় উঠেছে এবং সাধিত হয়েছে একমহা বিপ্ল¬ব। ঠিক তখনই আমি উপজেলার সকল(কলেজ,বিদ্যালয় ও মাদরাসা)শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণের সহযোগিতায় উপজেলার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে গণমানুষের দোরগোড়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পৌঁছানোর জন্য ইন্টারনেটের সাহায্যে ওয়েব পোর্টাল খোলারউদ্যোগ গ্রহণ করি। তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ওঅত্র অফিসের আওতাধীন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্তবর্ণনা,প্রতিষ্ঠাকাল,ছাত্র-ছাত্রীদের তথ্য,শিক্ষক-শিক্ষিকারতথ্য,প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির তথ্য,বিগত ৫(পাঁচ)বছরের সমাপনি ও পাবলিকপরীক্ষা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আভ্যন্তরীণ পরীক্ষার ফলাফল,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্নঅর্জন,ভবিষ্যত পরিকল্পনা ইত্যাদি যাবতীয় তথ্যাদি উক্ত ওয়েব সাইটের মাধ্যমেপাওয়া যাবে। তথ্য-প্রযুক্তির একবিংশ শতাব্দীতে বিজ্ঞান মনস্ক মানুষেরকল্যানেও এ ওয়েব সাইটটি কাজে আসবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এ কার্যালয়েরবিবেচ্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য,বিজ্ঞপ্তি সমূহ নিয়মিত প্রকাশ ও হালনাগাদ করাহবে। পাশাপাশি যে কোন অভিযোগ বা পরামশ্যের জন্য সরাসরি এ তথ্য বাতায়নব্যবহার করা যাবে,যার মাধ্যমে পোর্টাল বক্সের সহায়তায তা কর্তৃপক্ষের নজরেআনা যাবে। প্রয়োজনে সরাসরি যে কোন তথ্য ই-মেইল করে আদান-প্রদান করা যাবে।



আপনাদেরসকলের সহযোগিতায় ও ব্যবহারের ফলে এই তথ্য বাতায়নটি দ্রুত জনপ্রিয় ওপ্রয়োজনীয় একটি ওয়েব সাইটে পরিণত হবে বলে আমার বিশ্বাস। আপনার সু-চিন্তিতমতামত এ ওয়েব সাইটটিকে যেমন সমৃদ্ধ করতে পারে,তেমনি কুমারখালী উপজেলামাধ্যমিক শিক্ষা পরিবারে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রেও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেএ ওয়েব সাইটটি যথার্থ ভূমিকারাখবে।     


(মো. আব্দুর রশীদ)

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার
কুমারখালী,কুষ্টিযা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের বার্তা

তথ্য-প্রযু্িক্তআজকের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে অত্যন্ত ঘনিষ্ট ভাবে জড়িত। এ ব্যাপারটা বেশমজার। গাছে উঠে যত খুশী পাকা আম পাড়তে থাকুন,তার সঙ্গে প্রযু্িক্তর কোনসম্পর্ক নেই। কিন্তু যখনই পাকা আমকে লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়ঁলেন কিংবা আংটাদিয়ে আমটি পাড়তে গেলেন,তখনই ব্যাপারটা প্রযুক্তির আওতায়  এসে গেলঅথবাপায়ে হেঁটে যত খুশি ভ্রমন করতে থাকুন,তার সঙ্গে প্রযুক্তির কোন সম্পর্কনেই। কিন্তুু যখনই গরুরগাড়ী,সাইকেল,রিক্সা কিংবা বাসে চেপে ভ্রমন করতেগেলেন তখনই ব্যাপারটি প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে গেল। অথবা কোন দক্ষ বাজীকরেরমতো যদি একটা আস্ত মুরগী হাতে ধরে দাঁত দিয়ে চিবিয়ে খেয়ে ফেললেন,তখনপ্রযুক্তিকে এড়িয়ে গেলেন বটে কিন্তুু সেই মুরগীটাকে জবাই করে বটি দিয়েকেটে নানা রকম মশলা দিয়ে কড়াইতে নিয়ে উনুনে চাপিয়ে রান্না করে সুন্দরভাবে পরিবেশন করে চেয়ার,মাদুর বা পিড়িঁতে বসে খাবার প্রস্তুুতি নিলেনঅমনি প্রযুক্তির কবলে বাধাঁ পড়ে গেলেন। প্রযুক্তি এমন একটি হাতিয়ার যারসাহায্যে মানুষ প্রকৃতিকে নিজের রুচি ও চাহিদা মত ব্যবহার করে নিতে পারে।আর এই প্রযুক্তিই মানুষকে প্রাণী জগতের অন্যান্য সদস্য থেকে পৃথক করেরেখেছে। যেদিন থেকে মানুষ পাথর ঘষে আগুন জ্বালাতে শিখলো সেদিন থেকেইপ্রযুক্তির যাত্রা শুরু হলো। আজ পযর্ন্ত এ প্রযুক্তির অগ্রগতি আরথামেনি,আর কোন দিন থামবেওনা। বরং অবাক থেকে অবাকতম  স্তরে ক্রমাগত এগিয়েচলবে।

 


পৃথিবীরসকল দেশ জুড়ে প্রযুক্তির ব্যবহার বিস্ময়কর ভাবে বেড়ে চলছে। বিশেষ করেপশ্চিমা দেশ গুলো এবং চীন,কোরিয়া,সিঙ্গাপুর ও জাপানের মত উন্নত দেশগুলোতে তথ্য প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে তারা নিজেদেরকে এমন এক পর্যায়েনিয়ে গেছে যা বলার অপেক্ষা রাখে না । তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হল আমরাঐ সকল দেশের তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছি। কিন্তু ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমরাউন্নত বিশ্বের চাইতে কোন অংশে পিছিয়ে নেই। মোস্তফা জব্বার কিংবা অমিআজাদের মত প্রতিভাবান প্রোগ্রামাররা অনেক আগে আমাদের মায়ের ভাষা বাংলাকেপ্রযুক্তির সাথে মিশ্রণ ঘটিয়ে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা হিসেবে সারা বিশ্বেস্বীকৃতি লাভের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছেন। যার ফলশ্রুতিতে আমরা বাংলাভাষাকে প্রযুক্তিতে নিয়ে আসতে পেরেছি। ফ্রিল্যান্স এর যারা খোঁজ খবররাখেন তারা বলতে পারবেন যে আমরা প্রযুক্তিগত জনশক্তিতে গর্ব করার মতঅবস্থান তৈরী করেছি। প্রযুক্তির দিক থেকে আমাদের ব্যক্তিগত অবস্থান ভালোথাকলেও জাতীয় পর্যায়ে তথা রাষ্ট্রীয় বা সামগ্রিক ভাবে প্রযুক্তিরব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বাড়েনি। আমার মনে হয় এখনই আমাদের এগিয়েযাওয়ার সময়। সকল ক্ষেত্রে আমাদের দেশে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করতেহবে। ইন্টারনেট এর মাধ্যমে তথ্যের যে ভান্ডার সৃষ্টি হয়েছে তার সুবিধাগুলো আমাদের ব্যক্তিগত এবং জাতীয় জীবনে নিশ্চিত করতে হবে। একটি ওয়েবসাইট যে একটি প্রতিষ্ঠানকে পৃথিবী জুড়ে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে যথেষ্টএব্যাপারে আমাদের কারো দ্বিমত থাকার কথা নয়। আর এই কাজটি ইন্টারনেটআবিষ্কার হওয়ার পর থেকে দিন দিন বাড়ছে। তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া এবং তথ্যপাওয়ার অনবদ্য এক ভূকিকা পালন করছে পৃথিবীর অনেক ওয়েব সাইট। ধরুনডরশরঢ়বফরধ এর কথাই বলি; অ-বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে তথ্য বহুলএই ওয়েব সাইটটি পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় শুধু মানুষকে পৃথিবী সম্পর্কেজানানোর চেষ্টা করছে। প্রতি মূহর্তে আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তেরবিভিন্ন খবরা-খবর অতি দ্রুত ও সহজে পাচ্ছি সেটা বলার অপেক্ষা রাখেনা।


 

সভ্যতার পরিবর্তন শিক্ষার দ্বারানিয়ন্ত্রিত। আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা ছাড়া আত্বনির্ভরশীল,দক্ষ ওমর্যাদা সম্পন্ন জাতি গঠন সম্ভব নয়। এ প্রত্যয় ও প্রনোদনা থেকেই জাতীয়শিক্ষানীতি ২০১০ প্রণীত হয়। এ শিক্ষানীতিতে বিজ্ঞান,তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি,কারিগরী শিক্ষা,ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
২০২১সালের মধ্যে “ডিজিটাল বাংলাদেশ” অথ্যাৎ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারকরে বাংলাদেশের সকল মানুষের জীবন যাপনসহজ,সরল,সুন্দর,সুখী,সমৃদ্ধ,আনন্দময় ও দারিদ্রমুক্ত করে গড়ে তোলারলক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তবে এই বিষয়টি সরকারের একারদায়িত্ব নয়। আমাদের সকলের নিজ নিজ অবস্থান থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ারযে প্রক্রিয়া তা পূরণে সরকারকে সহযোগীতা করতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রেবাংলাদেশে বেশ কিছু বছর ধরে অনেক পরিবর্তন এসেছে। শুধু পাঠ্য পুস্তক নয়একজন শিক্ষার্থীকে সকল বিষয়ে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে হবে। তাই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।প্রতিষ্ঠান গুলোতে তথ্য প্রযুক্তির চর্চা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারকরার মানসিকতা তৈরী করতে হবে।
শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যেইতোমধ্যে সরকার নির্ধারিত সংখ্যক শিক্ষককে উরমরঃধষ পড়হঃবহঃ উবাবষড়ঢ়সবহঃবিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানসহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল,কলেজ ওমাদরাসা)প্রতিটি শ্রেণীকক্ষ ল্যাপটপসহ মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে রুপান্তরেরপ্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলা পর্যায়ে ওঈঞএর বিকাশ,উন্নয়ন এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার উপজেলামাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে উক্ত কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব প্রদানকরেছেন। তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও এই অফিসেরআওতাধীন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্তবর্ণনা,প্রতিষ্ঠাকাল,ছাত্র-ছাত্রীদের তথ্য,শিক্ষক-শিক্ষিকারতথ্য,প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির তথ্য,বিগত ৫ বছরের সমাপনি ও পাবলিকপরীক্ষা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আভ্যন্তরীণ পরীক্ষার ফলাফল,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অর্জন,ভবিষ্যত পরিকল্পনা ইত্যাদি যাবতীয় তথ্যাদিউক্ত ওয়েব সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।

জাতীয় তথ্য বাতায়নে তথা  ওয়েব পোর্টাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাবলী সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে যে ভূমিকা পালনকরতে সক্ষম এর তুলনায় অন্য কোন মাধ্যমে তা সম্ভব নয়। প্রতিষ্ঠানে সকলতথ্য যখন তাদের নিজস্ব ওয়েব সাইটে থাকবে তখন ঐ প্রতিষ্ঠানের যেকোনছাত্র-ছাত্রী কিংবা অভিভাবক সহজে তা সংগ্রহ করতে পারবে। তাহলেপ্রতিষ্ঠানের দাপ্তরিক কাজ যেমন সহজ হবে তেমনি কাজের গতিশীলতা অনেকবাড়বে। তথ্য-প্রযুক্তির কল্যাণে বেশ কিছু দিন ধরে বিভিন্ন পাবলিকপরীক্ষার ফলাফল আমরা ওয়েব সাইট থেকে নিতে পারছি। তাছাড়া বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি প্রক্রিয়া এবং 6ô-7g,৮মও ৯ম শ্রেণীর রেজিষ্ট্রেশনেরকার্যক্রমও অনলাইনে করা হচ্ছে। এই সকল সুবিধা গুলো আমাদের ব্যক্তিগত ওসামাজিক অবস্থাকে উন্নত করতে কতটুকু সাহায্য করছে তা একটু চিন্তা করুন।তাই আমি মনে করি এভাবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের উচিত তাদের সাধ্যমততথ্য-প্রযক্তির ব্যবহার সম্পর্কে উন্নত মানসিকতা গড়ে তোলা, তাহলেই আমরাসত্যিকার “ডিজিটাল বংলাদেশ গড়তে পারবো”।

পরিশেষে তথ্য-উপাত্ত ওগঠনমূলক পরামর্শ দিয়ে পরিশেষে তথ্য-উপাত্ত ও গঠনমূলক পরামর্শ দিয়ে জাতীয় তথ্য বাতায়নে ওয়েব পোর্টাল প্রণয়ণে সার্বিকসহযোগিতা করার জন্য কুমারখালী উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়েরসকল স্কুল,কলেজ ও মাদরাসা প্রধানগণসহ সংশ্লিষ্ট সকল
স্তরের শিক্ষক-কর্মচারীগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

আল্লাহ  হাফেজ|


(মো. আব্দুর রশীদ )

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার
কুমারখালী, কুষ্টিয়া|

 


উপজেলা নির্বাহী অফিসারের শুভেচ্ছা বাণী

  দক্ষ ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা জাতীয় উন্নয়নের পূর্বশর্ত। তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়।দক্ষ,আত্বনির্ভরশীল মর্যাদা সম্পন্ন জাতি গঠন করতে হলে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির gva¨‡gপৃথিবীর প্রায় সকল দেশ তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনেক দূর এগিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলো,সিঙ্গাপুর,কোরিয়া,চীন ও জাপানের মত উন্নত দেশগুলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদেরকে পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে টিকিয়ে রেখেছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো-স্বাধীনতার ৪১/৪২ বছর পরেও আমরা এ ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে আছি। অথচ মেধা ও যোগ্যতার দিক থেকে বাংলাদেশ পিছিয়ে নেই। প্রযু্িক্তগত মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে আমরা এগিয়ে থাকলেও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও সদিচ্ছার অভাবে আমরা অনেক পিছনে পড়ে আছি। তাই এখনই সময় আমাদের এগিয়ে যাওয়ার। সকল ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে। ইন্টারনেট এর মাধ্যমে তথ্য-প্রযুক্তির সুবিধা গুলো ব্যক্তিগত ও জাতীয় জীবনে নিশ্চিত করতে হবে।
প্রত্যেকটি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মত দেশের সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে Digital Content Developmentএর আওতায় আনা উচিত। যদিও বর্তমানে কিছু সংখ্যক মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে এর আওতায় আনা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা অফিসগুলোর সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে “ওয়েব পোর্টাল” স্থাপনের মহতী উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এই “ওয়েব পোর্টাল”এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের দাপ্তরিক কাজের গতিশীলতা অনেক বাড়বে বলে আমার বিশ্বাস। আমি মনে করি KzgviLvjxউপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ওয়েব পোর্টাল”প্রণয়ণ করে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।
আমি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব মো. আব্দুর রশীদ জাতীয় তথ্য বাতায়নে তথা  ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে কুমারখালী উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সাথে অত্র উপজেলার সকল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাবলী সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।

 


( জনাব মো. শাহীনুজ্জামান)

উপজেলা নির্বাহী অফিসার
কুমারখালী, কুষ্টিয়া।|

 

জেলা শিক্ষা অফিসারের শুভেচ্ছা বাণী

 

তথ্য-যোগাযোগপ্রযুক্তিও জাতীয় উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক। আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা ছাড়াআত্বনির্ভরশীল,দক্ষ ও মর্যাদা সম্পন্ন জাতি গঠন সম্ভব নয়। বর্তমান সরকার২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার লক্ষ্যেVision-2021 ঘোষণা করেছেএবং সরকারি-বেসরকারিসকল কার্যালয়ে Digital কার্যক্রম বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।দেশেরসকল পর্যায়ে তথ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া হাতে নেওয়া হয়েছে। দক্ষও যোগ্য মানব সম্পদ তৈরীর লক্ষ্যে সরকার ২০১০ সালে প্রণীত জাতীয়শিক্ষানীতিতে ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযু্িক্তবিষয়টিকে বাধ্যতামূলক করেছেন। ইতোমধ্যে সকল সরকারি-বেসরকারি দপ্তর সমূহকেডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় সরকার উপজেলাপর্যায়ে ICT এর বিকাশ,উন্নয়ন ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে উপজেলামাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে উক্ত কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব প্রদানকরেছেন। তথ্য-প্রযুক্তির সুবিধা ব্যবহার করে বেগমগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিকশিক্ষা অফিস কতৃক এর আওতাধীন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিগত ইতিহাস, ভবিষ্যত কর্ম পরিকল্পনা, ভর্তি প্রক্রিয়া, ফলাফল,শিক্ষক-শিক্ষিকারযাবতীয় তথ্যাদি বর্তমানে “ওয়েব পোর্টাল” এর মাধ্যমে পাওয়া যাবে জেনেআমি অত্যন্ত আনন্দিত ও আশাবাদি।উক্ত “ওয়েব পোর্টাল”বাস্তবায়নগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নকে আরোবহুদুর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। এই চেতনাবোধ থেকেই কুমারখারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব মো. আব্দুর রশীদ উপজেলারসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অন-লাইন সেবার আওতাভূক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছেন।তাঁর এই সৃজনশীল উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানাই এবং এর সাফল্য কামনা করি ।


(এস.এম. ছায়েদুর রহমান)
জেলা শিক্ষা অফিসার

কুষ্টিয়া।

ফোন ; 071-61388

ইমেইল-deo_kushtia@yhoo.com

ছবি


সংযুক্তি