মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

প্রকল্প

সেকেন্ডারী এডুকেশন স্টাইপেন্ড প্রজেক্ট
(SESP)মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর
শিক্ষা ভবন,শিক্ষা
মন্ত্রণালয়,বাংলাদেশ
ঢাকা

মাধ্যমিকপর্যায়ে ছাত্রীদের ঝরেপড়া রোধ,বিদ্যালয়মুখী এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেউপস্থিতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১) পরীক্ষায় ৪৫% নম্বর পাওয়া ২)৭৫% দিন ক্লাসেউপস্থিত থাকা এবং ৩) এস.এস.সি পরীক্ষা না দেওয়া পর্যন্ত অথবা ১৮ বৎসর বয়সপর্যন্ত অবিবাহিত থাকার শর্তে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৯৩সালে মাধ্যমিক স্তরের ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প(ঋঝঝচ)নামে একটিপ্রকল্প গ্রহণ করা হয়। উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে অধ্যয়নরত সকল ছাত্রীদেরকেউপবৃত্তি প্রদান করা হয় এবং ছাত্রীদের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানকে টিউশন ফিপ্রদান করা হয়। এ প্রকল্পটি ২০০৫ সাল পর্যন্ত চলে। এতে ছাত্রীদের ব্যাপকহারে উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া অভিভাবক ও ছাত্রীদের মধ্যে বেশ সাড়াজাগায়। সময়ের ব্যবধানে এবং যুগের চাহিদা অনুযায়ী ছাত্রীদের পাশাপশিছাত্রদের উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তিপ্রধানের লক্ষ্যে ২০০৫ সাল থেকে সেকেন্ডারী এডুকেশন স্টাইপেন্ডপ্রজেক্ট(ঝঊঝঋ)নামে বর্তমান চলমান প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয় এবং এতে ৮টিমানদন্ডকে বিবেচনায় রেখে মেধাবী ও অতি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের (৬ষ্ঠ-১০মশ্রেণী)১০% ছাত্র ও ৩০% ছাত্রী কোটায় উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে এবংউপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বিপরীতে প্রতিষ্ঠান সমূহকে টিউশন ফিপ্রদান করা হয়ে থাকে। মেধাবী ও অতি দরিদ্র শিক্ষার্থী নির্বাচনের মানদন্ডসমূহ নিুে প্রদত্ত হলোঃ

১। শিক্ষার্থীর পিতা/অভিভাবক-৫০ শতাংশের কম ভূমির মালিক
২। পিতা/অভিভাবকের বার্ষিক আয়-৩০০০০(ত্রিশ)হাজার টাকার কম। ৩। দু:স্থ অসহায় গোষ্ঠী(যেমন:এতিম,অনাথ)
৪। অস্বচ্চল মু্িক্তযোদ্ধার সন্তান।
৫। উপার্জনে অসমর্থ/বিকলাঙ্গ(যেমন:পঙ্গু,অন্ধ,বোবা ইত্যাদি) পিতা-মাতার সন্তান।
৬। নদী ভাঙ্গন কবলিত/বাস্তুহারা ও অস্বচ্ছল পরিবারের সন্তান।
৭। নিু আয়ের শ্রমজীবি (যেমন: রিক্সাচালক,দিনমজুর ইত্যাদি) অভিভাবকের সন্তান।
৮। সকল চরম প্রতিবন্ধী।


Share with :

Facebook Twitter